প্রথম টি-টোয়েন্টিতে হারলেও দ্বিতীয় ম্যাচ জিতে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে বাংলাদেশ। বুলাওয়েতে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। ১৮৭ রানের লক্ষ্য দেওয়ার পর জিম্বাবুয়ে ১৯.৪ ওভারে ১৫২ রানেই অলআউট হয়েছে।
দলের জয়ে ব্যাটে বলে দারুণ পারফরম্যান্স করেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। তিনি ব্যাট হাতে মাত্র ১০ বলে ৪টি ছক্কা আর এক চারের সাহায্যে ৩১ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলেন। আর বল হাতে শিকার করেন ১ উইকেট।
দলের জয়ে জোড়া ফিফটি হাঁকান দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসান। বল হাতে ৩.৪ ওভারে মাত্র ২৬ রানে ৪ উইকেট শিকার করেন লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন।
সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ১৭১ রানের টার্গেট তাড়ায় ১৩৮ রানে অলআউট হয়ে ৩২ রানে হেরে যায় বাংলাদেশ।
আজ ৩৪ রানের জয়ে সিরিজে সমতায়। রোববার হবে সিরিজের শেষ ম্যাচ। সেই ম্যাচে যারা জিতবে তারা সিরিজ জয়ের স্বাদ পাবে।
১৮৭ রানের লক্ষ্য দেওয়ার পর জিম্বাবুয়ে ১৯.৪ ওভারে ১৫২ রানেই অলআউট হয়েছে। ২১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে যায় জিম্বাবুয়ে। তার পর মিল্টন শুম্বা ও অধিনায়ক সিকান্দার রাজা জুটি গড়ার চেষ্টা করেছিলেন। যদিও বেশি দূর যেতে পারেননি তারা। দলের ৬৫ রানে রাজাকে (২৮) তুলে নেন রিশাদ হোসেন। শুম্বাও ফিরে যান দ্রুত (১৯)। রায়ান বার্ল ১৯ বলে ২৯ রানের আগ্রাসী ইনিংস খেললেও তা যথেষ্ট ছিল না। শেষ দিকে ব্র্যাড ইভান্সের ১৪ বলে ২৫ রানের মিনি ক্যামিওতেও লাভ হয়নি।
বাংলাদেশের হয়ে ২৬ রানে ৪ উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। ২৪ রানে ৩টি নেন মেহেদী হাসান।
এর আগে শুরুতে ব্যাট করতে নেমে আজ দারুণ শুরু করে বাংলাদেশ। অবশ্য একাধিকবার জীবন পেয়েছেন তামিম-সাইফ দুজনই। সেটা কাজেও লাগিয়েছেন। দুজনেই পেয়েছেন ফিফটির দেখা। ৩৩ বলে ফিফটি স্পর্শ করেন তামিম, আর সাইফ এই মাইলফলক ছুঁতে খরচ করেন ৪২ বল।
ফিফটির পর আর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তামিম। সবমিলিয়ে ৪৪ বলে ৫৮ রান করেছেন তিনি। আরেক ওপেনার সাইফের ব্যাট থেকে আসে ৪৫ বলে ৫৫ রান।
দুই ওপেনারের বিদায়ের পর তাওহিদ হৃদয়, পারভেজ ইমন ও নুরুল হাসান সোহান দ্রুত সাজঘরে ফেরেন। তবে শেষদিকে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন ইয়াসির ও সাইফউদ্দিন। ইয়াসির ১২ বলে করেছেন অপরাজিত ২২, আর সাইফউদ্দিনের ব্যাট থেকে এসেছে ১০ বলে অপরাজিত ৩১ রান।












